গল্প                 :          অভিন্ন বৃত্তের ভেতর
গল্পকার           :         সমর চক্রবর্তী
গ্রন্থ                 :         রঙিন স্বপ্নের বাসিন্দারা
প্রকাশকাল      :        বইমেলা ফেব্রুয়ারি/ ২০০১
রচনাকাল        :         

কবি ও লেখক সমর চক্রবর্তীর “অভিন্ন বৃত্তের ভেতর” শিরোনামের এই ছোট গল্পটি তার 'রঙিন স্বপ্নের বাসিন্দারা' গল্পগ্রন্থ থেকে নেয়া হয়েছে। এ গল্পটি কবিয়াল পাঠকদের জন্য প্রকাশ করা হলো।
অভিন্ন বৃত্তের ভেতর || সমর চক্রবর্তী
অভিন্ন বৃত্তের ভেতর || সমর চক্রবর্তী



অভিন্ন বৃত্তের ভেতর || সমর চক্রবর্তী

১.

করিমন বোকা কি চালাক, রশিদ সেখের মতো বুদ্ধিমান লোকও আজ পর্যন্ত ঠিক বুঝে উঠতে পারেনি। হয়তো করিমন নারীদের সহজাত বৃত্ত ভেঙে অন্য কোনো বৃত্তের ভেতর বসবাস করছে, এ্যামন ধারনা মনে এনেও সে মাঝে মাঝে ভাবনার শরীরে হোঁচট খায়। ক্যানোনা এই চল্লিশার্ধো বয়সেও রশিদ সেখ নারীর প্রতি কখনো তার শারীরিক অক্ষমতা প্রকাশ করার মতো অনুভূতি তো দূরের কথা, এই কথার কোন যুক্তি বা সূত্র খুঁজে পায়নি। সে এ জন্য মনে মনে নিজেকে বড্ড সুপুরুষ মনে করে যতোটা না তৃপ্তি পায়, তার ছে আনন্দ উপভোগ করে বেশি; যখোন তার সামনে কোনো যুবক, যুবতীর একক প্রেমে হা-হুতাশ করে মৃত্যুর দিকে ক্রমাগত এগিয়ে যায়।

রশিদ সেখের ভাবনাটা সাম্প্রতিককালে এ্যাতো বৃদ্ধি পেয়েছে যে, এক সময় যে বিষয়টা শুধু তার নিজের মাথায়-ই ঘুরপাক খেতো, এ্যাখোন তা- সংক্রমিত হতে হতে শুধু মাত্র রহিমা বিবিই নয়, সংক্রমিত হয়েছে বাচ্চু সেখ, রহিম খাঁ সহ গ্রামের আরো দু'দশ জনের ভেতরও।

২.

আজ কাল প্রায়ই দ্যাখা যায়, রশিদ সেখ নিজের মুদি দোকানে বসে কী এক ভাবনার ভেতর যেন ডুবে থাকে। তন্ময় হোয়ে থাকে। এক সময় দ্যাখা যেতো, বাচ্চু সেখ উত্তর পাড়া থেকে দু'এক টাকার বিড়ি কিনতে এসে- রশিদ সেখের সাথে ঘন্টার পর ঘন্টা গল্প জমাতো। রহিম খাঁ তো একই অজুহাতে প্রায় সব সময় বসে থাকতো বেঞ্চের এক কোনায়।

যখোন খরিদ্দার চলে যেতো তখোন রশিদ সেখ আর রহিম খাঁ গ্রামের কোথায় কি হচ্ছে, কে কি করছে না করছে ইত্যাদি ইত্যকার বিষয় নিয়ে একটু-আধটু উলোট পালট করতো বৈকি।
আজকাল রশিদ সেখ ক্যামন যেনো হোয়ে গ্যাছে। কদাচিৎ কথা বলে। প্রয়োজনের হাসিটাও যেনো কারো দস্যুতায় ম্লান। খরিদ্দার এলে চুপ করে থাকে। অথবা কেউ এক দ্রব্য চাইলে সে দিয়ে দ্যায় অন্য দ্রব্য। এতে যে খরিদ্দারেরা বিরক্ত বোধ করে না এ্যামন নয়, বরং কেউ কেউ তার আকস্মিক পরিবর্তনটাও লক্ষ্য করে গভীর দৃষ্টি দিয়ে।

বাচ্চু সেখ এবং রহিম খাঁ তো রশিদ সেখের এ্যামন পরিবর্তন কে দুর্ব্যবহার ভেবে দোকানে যাতায়াত প্রায় বন্ধই করে দিয়েছে।


৩.

রহিমা বিবিও সকালে- দোকানে কয়েক কেজি চাল কিনতে এসে শুধু বিরক্ত বোধই করেনি, পক্ষান্তরে সে হৃদয়ে দারুন আঘাত পেয়েছে।
প্রায় আধঘন্টারও বেশি রহিমা বিবি দোকানে দাঁড়িয়ে, কিন্তু রশিদ সেখের একটুও দৃষ্টি পড়েনি। রহিমা বিবি এ্যামন ব্যবহারে শুধু বিস্মিতই হয় না; রাগ, ক্ষোভ, অভিমান সব কিছুই সাগরের ঢেউয়ের মতো ফুলে ফেঁপে ওঠে তার বুকের ভেতর।

এক পর্যায়ে সে চলেই যেতে চেয়োছিলো, কিন্তু ঘরে অতিথি। চালের অত্যাধিক প্রয়োজন অনুভব করে আর যেতে পারে নি।
রহিমাবিবি কিছুদিন ধরেই লক্ষ্য করছে যে, রশিদ সেখ আজকাল তাকে ক্যামন যেন অবজ্ঞা করে চলেছে। অথচ এই রশিদ সেখই এক সময় তার জন্য অপেক্ষার প্রহর গুনতো। কাছে পাবার আকাঙ্খায় হোয়ে উঠতো ব্যাকুল।

কত টুকরো টুকরো স্মৃতি ভেসে ওঠে রহিমা বিবির চোখে।
অথচ আজ প্রায় সপ্তাহ গড়িয়ে চলল। রহিমা বিবির স্বামী বাড়ি নেই
জেনেও রশিদ সেখ রহিমা বিবির ঘরমুখো পর্যন্ত হয় না।
রহিমা বিবি বিষয়টা নিয়ে আজও কোনো প্রশ্ন করেনি। শুধু চোখের তির্যক দৃষ্টি দিয়ে রশিদ সেখকে গোপনে বিদ্ধকরে ফিরে গ্যাছে।


8.

রশিদ সেখ গ্রামের স্কুল থেকে তৃতীয় বিভাগে এস, এস, সি পাশ করে যখোন লেখাপড়ার পাঠ চুকিয়েছে, ঠিক তখোনি একদিন সন্ধ্যায় তার খালাতো বোন পারুল ঘরে ঢুকে দরজার খিল এটে দ্যায়। জানা যায় পারুল তিন মাসের অন্তঃসত্বা। এক রকম আত্মীয়তা জিইয়ে রাখতেই রশিদ সেখের বাবা আবু সেখ ইচ্ছার বিরুদ্ধে পারুলকে ঘরে তুলে নেয়ার কিছুদিনের মধ্যেই তিনি ইহোলোক ত্যাগ করেন।

পক্ষান্তরে ঘটে যায় অন্য ঘটনা। রশিদ সেখের সংসারের বয়স এক সপ্তাহ পার হোয়ে যখোন দ্বিতীয় সপ্তহে পা রেখেছে, ঠিক তখোনি তার চাচাতো বোন আছমাকে বাড়ির পাশের তেঁতুল গাছের সাথে গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলে থাকতে দ্যাখা যায়। মৃত্যুর কারণ অজ্ঞাত হলেও, এক সময় সবকিছু ফাঁস হোয়ে যায়। ক্যানোনা প্রায় মাস তিনেক পরে আছমার ট্রাঙ্কের ভেতর থেকে রশিদের কিছু চিঠি উদ্ধার হওয়ায় গ্রামে সমালোচনার ঝড় ওঠে এবং এক সময় থেমেও যায়।

এরপর থেকে রশিদ সেখ এক এক করে তিনটি বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়; এবং যার তিনটি বন্ধনকেই মুক্ত করে দিয়ে রশিদ সেখ পুনরায় চতুর্থ বারের মতো পাশের গ্রামের অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রী করিমনের পাণি গ্রহণ করে।

৫.
ছয় মাস অতিক্রান্ত।

ইতিমধ্যে রশিদ সেখের ঘন ঘন শহরে যাতায়াত বন্ধ হয়েছে। জুলেখা ভাবীর সাথে ঝগড়া।
রহিমা বিবির সাথে সর্ম্পকটা অবশ্য কোন প্রকার বজায় আছে।

৬.

তবে রশিদ সেখ কখনোই স্থির থাকতে পারে না এই ভেবে যে, করিমন ঘরে আসার মাস অতিক্রান্ত হওয়ার পর থেকেই সে ক্যামন যেন তাকে উপেক্ষা করতে থাকে।
কিন্তু রশিদ সেখ নিজের মনের সাথে অনেকবার মিলিয়ে দেখেছে যে, প্রকারান্তারেই করিমনকে সে অন্য স্ত্রীদের তুলনায় বেশী ভালোবাসে।

সঙ্গত কারনেই রশিদ সেখের নারীঘটিত কেলেঙ্কারী নিয়ে ইদানিং আর কোনো মুখোরোচক আলোচনা শুনতে পাওয়া যায়না।
বরং রশিদ সেখের চরিত্রগত সার্টিফিকেট নিয়ে কেউ কেউ চ্যালেঞ্জ করতে শুরু করেও দিয়েছে আজকাল।
কিন্তু করিমনের ব্যবহার রশিদ সেখের অত্যন্ত ভাবনার কারণ হোয়ে দাঁড়ায়।
কিছুদিন ধরে রশিদ সেখ লক্ষ্য করছে যে, করিমন যখোন একাকী থাকে, তখোন অহেতুক রশিদ সেখের শার্টের বোতাম ছিড়ে ফ্যালে এবং পুনরায় যথা স্থানে সূচ দিয়ে বোতাম গুলো গেঁথে তোলে।

এরুপ দিনের পর দিন বিষয়টি লক্ষ্য করার পর রশিদ সেখ যখোন বিষয়টির কোনো সমাধান খুঁজে পায় না, তখোন করিমনের আগোচরে সে নিজেই নিজের শার্ট গুলো একদিন উধাও করে দ্যায়। ঐ দিন রাত্রে দোকান থেকে ফিরে এসে করিমনের ভেতর আশ্চর্য এক পরিবর্তন লক্ষ্য করে।
করিমনের সমগ্র শরীর নগ্ন। দরজা খোলা। তবুও এ্যাতটুকু খেয়াল নেই তার। সে তার শরীরের ব্লাউজ খুলে, এক একটা করে বোতাম ছিঁড়ছে এবং গেঁথে তুলছে।
রশিদ সেখ এ্যামন ঘটনা দেখবার জন্য মোটেও প্রস্তুত ছিলো না। বরং বিপরীত আকাঙ্খা ছিল তার।

অবশ্য ঐ দিনের ঘটনা রশিদ সেখকে এ্যাতো বেশী আন্দোলিত করে যে, সে অহেতুক কার্যকলাপের প্রতি বিরক্তি অনুভব করে এবং করিমনকে সজোরে কষে এক থাপ্পর দ্যায়।
করিমনও এ্যামন আকস্মিক ঘটনার জন্য প্রস্তুত ছিল না।
সে এজন্য কাঁদে অনেকক্ষণ।
রশিদ সেখও তার কান্নায় বাধা দ্যায় না বা বিরক্ত বোধ করে না। বরং ওই রাত্রে রশিদ সেখ তন্ময় হোয়ে করিমনের কান্না দ্যাখে। কান্না শোনেও।

৭. 
প্রায় এক বছর অতিক্রান্ত হবার পর, রশিদ সেখ ভেতরে ভেতরে এক 
ধরনের শুণ্যতা অনুভব করে।
যা অন্য কাউকে বলতে পারে না। শুধু যন্ত্রণা হয়।
এ যন্ত্রণার কথা করিমনকেও গোপন রাখে রশিদ সেখ।


৮.

হঠাৎ এক দিন রশিদ সেখ লক্ষ্য করে, করিমন আর বোতাম ছিড়ে বোতাম লাগাচ্ছে না। ইদানিং সে বেশ প্রাণ চঞ্চল হয়ে উঠেছে। কিন্তু রশিদ সেখের মন বেশ দমে যায়। সে মনে মনে কামনা করে করিমন আগেরমতো আবার তার শার্টের বোতাম ছিড়ে পুনরায় গেঁথে দিক।
এভাবেই অন্ততঃ তার সময় কেটে যাক।


৯.

কিন্তু রশিদ সেখ যখোন শুন্যতার আবরণে ঢাকা পড়তে বসেছে প্রায় ঠিক তখোনি এক সময় সে সিদ্ধান্ত নেয় যে দোকান বিক্রি করে হজব্রত পালনের জন্য রওনা হবে। ওই দিন রাত্রে সিদ্ধান্ত পাকাপাকি হয় বটে, কিন্তু করিমন হ্যাঁ অথবা না সূচক কোন সিদ্ধান্ত জানায় না।
খুব ভোর বেলা রশিদ সেখের ঘুম ভেঙে যায়। হঠাৎ বুকের ভেতর ক্যামন যেন সে শুন্যতা অনুভব করে। খুব করে ইচ্ছে জাগে করিমনকে। রশিদ সেখ পাশে হাত বাড়ায়।
করিমন নেই।

রশিদ সেখের হার্টবিট বেড়ে যায়। হুড়মুড় করে উঠে পড়ে বিছানা ছেড়ে। দরজা খোলা।
ঝিঁ ঝিঁ পোকারা তখনো ডেকে চলেছে।
হাল্কা ম্লান অন্ধকারে শীতল বাতাস শরীরে লেগে মনটা বেশ হাল্কা হয় রশিদ সেখের।
সে ঘর ছেড়ে বারান্দা, বারান্দা ছেড়ে ঘরের পেছনের পুকুর পাড়ের দিকে পা বাড়ায়। তেঁতুল গাছের তলে দাঁড়িয়ে উত্তর দিকের বেল গাছের দিকে লক্ষ্য করে রশিদ সেখ চমকে ওঠে।
অতি সন্তর্পণে এগিয়ে যায় সেদিকে। ঠিক গাছটার ঝোঁপের পেছনে। সে পেছনে বসে দেখতে পায় অসম্ভব এক অকল্পনীয় দৃশ্য।

সে করিমনের সাথে পাশের বাড়ীর কলেজ পড়ুয়া সেলিমকে হঠাৎ আবিষ্কার করে বিস্মিত হয় না।
ওদের মিলনেও বাধা দ্যায় না। উপরন্তু নিশ্চুপ হোয়ে সে কতক্ষণ ঐ স্থানে দাঁড়িয়ে ছিলো তা কেউ জানে না।

১০.

অবশেষে রশিদ সেখ যখোন চোখ মেলে তাকায়, তখোন সে নিজেকে হাসপাতালের এক কক্ষে আবিষ্কার করে।
তার চারপাশে গ্রামের অনেক মহিলা-পুরুষের ভিড়। সবাই যখোন তার মুখের কথা শোনার জন্য উদগ্রীব, তখোন বাচ্চু সেখ জানায় তার বউ করিমন সেলিমের সাথে লাপাত্তা। রশিদ সেখ দ্বিতীয়বার জ্ঞান হারায় না। শুধু নিঃসঙ্গতা অনুভব করে। করিমনের সঙ্গ হারানোর নিঃসঙ্গতা। সন্তান না পাওয়ার নিঃসঙ্গতা। দীর্ঘ একচল্লিশ বছরের নিঃসঙ্গতা-------।


আপনার লেখা পাঠাতে আমাদের ইমেইল করুন। ইমেইল ঠিকানা- kobiyal.com@gmail.com 


 Follow Now Our Google News

সমর চক্রবর্তী’র কাব্যগ্রন্থ, গল্প ও উপন্যাস
  • বঙ্গ নগরীর বাউলাকাশ (0000)
  • রঙিন স্বপ্নের বাসিন্দারা (গল্পগ্রন্থ) (২০০১)
  • দিগন্তের স্বপ্নারোহী
  • আদিম অশ্বের পিঠে (কবিতা)
  • নক্ষত্র মরে মরে গ্রহ হয়ে যায়
  • বঙ্গীয় সভ্যতার লীলাভূমিঃ ভূষণা নগর রাজ্যের ইতিহাস (গবেষণাধর্মী গ্রন্থ)
  • অন্ধকার ডানার মানুষ (কবিতা)
  • ছায়াছায়া মুখ (উপন্যাস)
  • লবণ সংক্রামক প্রার্থণা (কবিতা)

লেখক সংক্ষেপ:
১৯৭৩ সালের ১৫ মার্চ জন্ম নেয়া কবি সমর চক্রবর্তী দুই বাংলার সাহিত্যাঙ্গনের এক উজ্জ্বল নাম। বাহ্যিক চাকচিক্য নয়, তিনি পরিচিতি পেয়েছেন তাঁর মৌলিক সাহিত্যকর্মের মাধ্যমে। নব্বই দশকের অন্যতম শ্রেষ্ঠ এই কবির কাছে সাহিত্যই ধ্যান-জ্ঞান। সাহিত্য সাধনার জন্য তিনি সরকারি চাকরি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের উচ্চ পদ বারবার ছেড়ে দিয়েছেন। তাঁর বিশ্বাস—সাহিত্য কোনো সাধারণ কাজ নয়, এটি এক ধরনের সাধনা।

সমর চক্রবর্তী সার্বক্ষণিক কবি ও সব্যসাচী লেখক। কবিতা, গল্প থেকে গবেষণাধর্মী ইতিহাস—সাহিত্যের নানা শাখায় তাঁর অবাধ বিচরণ। পাঠক ও সমসাময়িক লেখক—উভয়ের জন্যই তিনি লিখেছেন নিষ্ঠা ও দায়বদ্ধতা নিয়ে। মানবিক মূল্যবোধ ও প্রতিবাদী চেতনা তাঁর লেখার গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ।

এ পর্যন্ত তিনি ১২টি মৌলিক গ্রন্থ রচনা করেছেন, যার মধ্যে রয়েছে দিগন্তের স্বপ্নারোহী, আদিম অশ্বের পিঠে, নক্ষত্র মরে মরে গ্রহ হয়ে যায়, রঙিন স্বপ্নের বাসিন্দারা প্রভৃতি। তাঁর গবেষণাধর্মী গ্রন্থ ভূষণা রাজ্যের ইতিহাস বিশেষভাবে প্রশংসিত।

কবিয়াল
 
কবিয়াল’এ প্রকাশিত প্রতিটি লেখা ও লেখার বিষয়বস্তু, ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া ও মন্তব্যসমুহ সম্পূর্ণ লেখকের নিজস্ব। প্রকাশিত সকল লেখার বিষয়বস্তু ও মতামত কবিয়াল’র সম্পাদকীয় নীতির সাথে সম্পুর্নভাবে মিলে যাবে এমন নয়। লেখকের কোনো লেখার বিষয়বস্তু বা বক্তব্যের যথার্থতার আইনগত বা অন্যকোনো দায় কবিয়াল কর্তৃপক্ষ বহন করতে বাধ্য নয়। কবিয়াল’এ প্রকাশিত কোনো লেখা বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রকাশ কপিরাইট আইনের লংঘন বলে গণ্য হবে।

Post a Comment

নবীনতর পূর্বতন