গল্প : শকুন
গল্পকার : সমর চক্রবর্তী
গ্রন্থ : রঙিন স্বপ্নের বাসিন্দারা
প্রকাশকাল : বইমেলা ফেব্রুয়ারি/ ২০০১
রচনাকাল :
কবি ও লেখক সমর চক্রবর্তীর “শকুন” শিরোনামের এই ছোট গল্পটি তার 'রঙিন স্বপ্নের বাসিন্দারা' গল্পগ্রন্থ থেকে নেয়া হয়েছে। এ গল্পটি কবিয়াল পাঠকদের জন্য প্রকাশ করা হলো।
![]() |
| শকুন || সমর চক্রবর্তী |
শকুন || সমর চক্রবর্তী
মাঠের প্রায় মাঝখানে এসে হঠাৎই থমকে দাঁড়ায় তালেব মিয়া। তার চারপাশ জুড়ে অজস্র সোনালী কাঁচা পাকা ধান। বাতাসে ঢেউ খেলছে।
দৃশ্য দেখে মনে হয় যেন অজস্র সোনার ভিতর দাঁড়িয়ে আছে তালেব মিয়া। সে আপন মনে হেসে ওঠে তারপর আধময়লা লুঙির কোমরের ট্যাক থেকে একটা বিড়ি বের করে মুখে জ্বালে। পিছনে দাঁড়িয়ে থাকা সাত/আট বছরের ছেলে সিরাজ জিজ্ঞেস করে, বাজান আর কদ্দুর?
ছেলের কথার কোন জবাব না দিয়ে তালেব মিয়া পুনরায় হাঁটতে থাকে মাঠের আঁকাবাঁকা আল ধরে। বিড়িতে আর একবার দীর্ঘ টান দিয়ে তালেব মিয়া ছেলের প্রশ্নের উত্তর দ্যায়, আর এটু হাটো বাজান, আর কয়ডা জমি পার হলিই আমাগে জমি।
সিরাজ বাবার পেছনে হাঁটতে হাঁটতে হঠাৎ একটা জায়গায় এসে থমকে দাঁড়ায়। সিরাজ বুঝতে কষ্ট হয় না এটাই তাদের জমি।
জমি বলতে আয়তনে তাদের বাড়ীর চেয়েও ছোটো। মাত্র কুড়ি শতক মাটি। ছোট্ট এই মাটির ভেতরই জেগে আছে তাদের সারা বছরের স্বপ্ন। ধানগুলো সোনালী রৌদ্রে সোনার মতো চিক চিক্ জ্বলছে যেন। বাহারী বাতাস ঢেউ খেলে যাচ্ছে সারা শরীর জুড়ে।
সিরাজ আনন্দে গুন গুন করে অস্পষ্ট সুরে গান গাইতে থাকে। হঠাৎই তালেব মিয়া সিরাজের পিঠে কষে এক থাপ্পড় ম্যারে। ধমক দিয়ে বলে, ওই ব্যাক্কল, ওমন করতে নাই তাতে বরাত খারাপ হয়।
সিরাজ গান থামিয়ে দ্যায়। তার পিঠের ব্যথার চেয়ে মনের ব্যথা বেশি লাগে। সে ভাবে, তার কি দোষ? ধান ভালো অইছে, আনন্দে গান আইসা গ্যালো, এতে আবার বরাত ভালো-মন্দের কি?
সিরাজ অনেকক্ষণ কথা বলতে পারে না।
তালেব মিয়া ক্ষেতের চারপাশ ঘুরে ঘুরে দেখতে থাকে। অবশেষে সিরাজও তার পিছু নেয়। তালেব মিয়া বলে, বাজানরে ইবার ধান ভালোই অইছে। ধান উডলে তোমাকেও লাল টুকটুক এট্টা জামা কিনে দিবানে। বাবার কথা শুনে আনন্দে সিরাজের চোখে জল এসে যায়। কিন্তু কোনো কথা বলতে পারে না। শুধু সম্মতি সূচক ঘাড় নাড়ে সে।
তারপর পিতা পুত্রের দীঘল নীরবতা। বেলা বেড়েই চলেছে। সুর্য গড়াতে গড়াতে ঠিক তালেব মিয়ার মাথার উপরে এসে ঝুলছে যেন। তালেব মিয়া সূর্যের দিকে তাকায়। সিরাজ বিস্ময়ে তাকিয়ে থাকে মাঠের দিকে। মাঠের ওপারে অন্য গ্রাম। সে গ্রামের নাম কি?
সে জানে না। যায়ওনি ওদিকে কোনদিন।
মাঠের মাঝখান থেকে গ্রামটাকে কী সুন্দর তার ক্লাসের বইয়ের ছবির মতো মনে হয়, মনে হয় যেন গ্রামটা তার অতি পরিচিত। কোনোদিন যেন গিয়েছে সে ওই গাঁয়ে।
তার চোখের সামনে ভেসে ওঠে, গ্রামের নারকেল-- সুপোরির বাগান-বাগানের পাশে একটা পদ্ম পুকুর---- পুকুরের একটু দূরে যেন দাড়িয়ে আছে পলেস্তরা খসা একটা জীর্ণ দালান বাড়ি। দালানের পাশেই একটা বুড়ো বটগাছ। বটগাছের নিচে একটা ছোট মেয়ে ঠিক যেন তার বয়সের। গাছের নিচে বসে খেলা করছে। তার নাম কি? সিরাজ জানতে চেষ্টা করে। যেন বালিকাটির নাম তার জানা। হঠাৎই সিরাজের বুকে শিহরণ খেলে যায়।
কি আবাক কান্ড! এ মেয়েটিকে তো সিরাজ অনেকবার স্বপ্ন দেখেছে। কিন্তু নাম জানে না ক্যানো? ভেবে সিরাজ লজ্জা পায়।
অতঃপর সিরাজ লাল জামা গায়ে ধীরে ধীরে এগিয়ে যায় মেয়েটির দিকে,
মেয়েটি সিরাজকে জিজ্ঞেস করে, তোমার নাম কি?
সে জবাব দ্যায়, সিরাজ।
তোমার বাড়ী কোন গায়ে?
সিরাজ ডান হাত প্রসারিত করে পশ্চিম দিক দেখিয়ে বলে, উ-ই-ই গাঁয়ে- ময়না।
মেয়েটি খিল খিল করে করে হেসে ওঠে।
বলে, আমারে তুমি বিয়া করবা?
সিরাজ এবার ভীষণ লজ্জা পায়। লজ্জা পেয়ে মুখটা তার পাকা ডালিমের মতো লাল হয়ে যায় যেন।
সে আর কোনো কথা বলতে পারে না মেয়েটির সাথে।
মেয়েটি হঠাৎ কোথায় যেন হারিয়ে যায়। সিরাজ খুঁজতে থাকে, উপরে তাকায়-
সিরাজ দেখতে পায় তার মাথার উপরের বুড়ো বটগাছটা জুড়ে অনেক শকুন বসে আছে তার দিকে চেয়ে।
সে দেখে ভয় পায়। মেয়েটিকে খুঁজে না পেয়ে সে দৌড় দেবে এ্যামন সময় তার বাবা তালেব মিয়া ডাক দ্যায়, সিরাজ। ও বাজান একলা দাড়ায় দাড়ায় বিড় বিড় করতিছিসরে? সম্বিত ফিরে পেয়ে সিরাজ মুখ নিচু করে থাকে। বড্ড ঘামতে থাকে সে।
তারপর মেয়েটিকে পুনরায় মনে করতে চেষ্টা করে। পাশের আলপথ ধরে হেঁটে চলে যায় পাশের বাড়ির রমজান চাচা। মাঠে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আরো কত-লোক। সিরাজ কারো নাম জানে। কারো নাম জানে না। রমজান মিয়া যাওয়ার সময় তালেব মিয়াকে ডাক দিয়ে বলে, ও তালেব ভাই, ধান কাডবা কবে?
তালেব মিয়া জবাব দ্যায়, আল্লাহ দিলে আগামী সপ্তায় কাডবো রমজান ভাই।
রমজান মিয়া ক্ষেতের ধান দেখতে দেখতে চলে যায়।
বেলা অইচে। তোর মায় আবার ভাত নিয়া বইসা থাকবো, চল আমরা বাড়ি ফির্যা যাই। ----- বলে তালেব মিয়া সিরাজের পিঠে হাত রাখে।
সিরাজ কোনো কথা বলে না। সে বাবার পিছনে হাঁটতে হাঁটতে ভাবতে থাকে; একদিন সেও মিয়া বাড়ির রহমত গাজীর মত গ্রামের মাদবর হবে। অনেক জমি-জমার সাথে দুটো লাল গরু কিনবে। তারপর ঠিক তার কল্পনার সেই মেয়েটিকে বিয়ে করবে। বিয়ের কথা ভাবতেই সে কেমন যেন হোয়ে যায়।
সে ভাবতে থাকে, নিশ্চই এ মেয়ের কথা কইলে মায় তার অমত করবো না। মায় তো কয়ই-- বাজানরে, তুই কোলে আওনের পর থেকেই আমাগো সংসারে উন্নতি অইছে।
শুনে ভীষণ ভালো লাগে সিরাজের। সেই মা কি অমত করতে পারে?
চলতে আর ভাবতে হঠাৎ হোঁচট খেয়ে মাটিতে পড়ে যায় সিরাজ। পিছন ফিরে তার বাবা ধমক দ্যায়, পথ দেইখা চলতে পারিস নে?
সিরাজ ধুলো ঝাড়তে ঝাড়তে আকাশের দিকে তাকিয়ে চমকে ওঠে।
সে দেখতে পায়, সেই বট গাছটার শকুন গুলো তার মাথার উপর উড়ছে। বিশালাকৃতির ডানা মেলে দিয়ে তাকে যেন বুকের ভেতর টেনে নিতে ক্রমশ মাটির দিকে নেমে আসছে সেই শকুনের ঝাঁক। এক অজানা আশঙ্কায় শরীরটা তার ভারী হয়ে ওঠে। দৃশ্যগুলো চোখে ভাসতে থাকে তার। পা দুটো অবশ হোয়ে যায়। তারপরও সে দ্রুত পা চালাতে থাকে তার বাবার সাথে।
দেখতে দেখতে প্রায় পাঁচ দিন কেটে যায়। সিরাজের আর দেরী সহ্য হয়না। শনিবার কবে আসবে, এই প্রতীক্ষাতে তার প্রহর কাটে। আর ঘুরে ফিরে তার মা'র কাছে যত বায়না।
মা, বাজান সত্যি সত্যি আমারে লাল জামা কিনা দিবি তো?
মা হেসে জবাব দ্যায়, হরে বাজান হ, দিবি না ক্যান? তুমারে না দিলে দিবি কারে? কও দেহি।
তারপর সিরাজকে কাছে ডেকে পরম মমতায় সারা শরীরে হাত বুলায়। চুমু খায়। সিরাজ সারা দিন হল্লা করে ফেরে। পাড়াময় তার খুশীর সংবাদ জানায়। এবার আর তার ঈদ পর্যন্ত অপেক্ষ করতে হবে না। ধান উঠলিই আব্বা লাল জামা কিনে দিব।
মনে মনে আরো অনেক কল্পনার জাল বোনে। জামা গায়ে দিয়ে সে স্কুলে যাবে। তার দিকে মন্টু, আকবর তাকিয়ে থাকবে। আর মজাকরে সে সবাইকে দেখিয়ে বেড়াবে। সেবার নান্নুর নতুন জামা দেখতে সিরাজ একটু হাত লাগিয়েছিল কি- নান্নু সিরাজের হাত সরিয়ে দিয়ে বলেছিলো, হাত দিসনে, নষ্ট হয়ে যাবেনে। এ কথা সে আজও মনে রেখেছে। সিরাজ ভেবে রেখেছে, নান্নুকে সেও ওরকম কিছু বলে দেবে।
দেখতে দেখতে শনিবার এসে যায়। আজ সিরাজদের ধান কাটার দিন। কিন্তু গত রাত থেকেই আকাশ ক্যামন মেঘলা হয়ে আছে। সকালে উঠেই বাবার সাথে পান্তা ভাত মুখে দিয়ে তৈরী হোয়ে নেয় সিরাজ। কিন্তু মেঘ দেখে কিছুতেই সিরাজকে নিতে চাইছে না তার
বাবা। কিন্তু সিরাজের একই কথা মাঠে যাবে। তার বাবা আর কামলা বাচ্চু, নেহালেরি সাথে সেও কাঁচি চালাবে। সিরাজের মা বলে, বাজান এটু পরেই গোস্ত পাক করবানে তুমি যাইও না। সিরাজ জবাব দ্যায়, মাঠ থেইকে আইসে বাজানের সাথে একসাথে খাবানে মা। সিরাজের মা আর কোন কথা বাড়ায় না। সিরাজের বাবা আর কামলা দুজনের সাথে মাঠে চলে যায় সিরাজ।
পাকা ধান মাঠে রাখা ঠিক না। শিলা-বৃষ্টি হতে পারে। সিরাজ যখন মাঠে পৌঁছে ধান কাটতে শুরু করেছে, তখোন আকাশ জুড়ে কালো মেঘ হৈ-হৈ করে বেড়াচ্ছে।
আকাশের দিকে তাকিয়ে তালেব মিয়া সিরাজকে বলে, বাজান এ্যাহনি ঝড় আসবেনে, তুই বাড়ি যা। সিরাজ হেসে জবাব দ্যায়, আমাগো ধান কাটা শ্যাষ না হলি ম্যাগ আসবো না বাজান। বাচ্চু সিরাজের কথায় টিপ্পনি কেটে বলে, হ গোনক ঠাকুর আইচে, ঝড় আসবো না? সিরাজের কথায় সবাই এক সঙ্গে হো-হো করে হেসে ওঠে, হাসি থামতে না থামতেই চারদিক অন্ধকার করে দমকা বাতাস আর বৃষ্টি ঝেঁপে আসে। কারো কথা কেউ শুনতে পায় না। চারদিক শুধু ঝড়ের তান্ডব নৃত্য। ঝড়ের গতি বেশী দেখে বাচ্চু ও নেহাল দৌড়ে অদূরবর্তী শ্যালো মেশিন ঘরের চালায় ওঠে। তালেব মিয়া সিরাজের দিকে এগিয়ে এসে বুকে জড়িয়ে ধরে রাখে কিছুক্ষণ। তখোন সিরাজ ঠক্ ঠক্ করে শীতে কাঁপছে। চারিদিকে বিদ্যুতের হুঙ্কার-গর্জন। সাথে বড় বড় শিলা। বুকে জড়িয়ে তালেব মিয়া আর্ত চিৎকার করে ওঠে, ওরে- বাচ্চু-- নেহাল ধান বুঝি আর ঘরে উডাইতে পারলাম না রে ----
ওদিকের চালাঘর থেকে ওরা কি বলছে, কিছুই তালেব মিয়া শুনতে পায় না। তবে বুঝতে পারছে যে, ওরা ওখান থেকে ঈশারায় ডাকছে। ঝড়ের গতি আরো বেড়ে যেতে দেখে তালেব মিয়া সিরাজের হাত ধরে শ্যালোর চালাঘরের উদ্দেশ্যে দৌড় দ্যায়। কিন্তু সরু আলপথ দেখে দুজন সমতায় দৌড়াতে পারেনা। অগত্যা সিরাজের হাত ছেড়ে দিতে হয় তালেব মিয়াকে। তারপর দৌড়-দৌড়-ভোঁ-দৌড় দিতেই কড় মড় কড়াৎ শব্দ ওঠে আকাশে। তালেব মিয়া চোখে কিছু দেখতে পায়না। কানের তালা দুটো অসহ্য যন্ত্রণায় ছিড়ে যায়। জ্ঞানশূন্য অবস্থায় একবার শুধু আর্ত চিৎকার শুনতে পায় সে, বাজান ---- বাঁচাও বাঁচাও----
তারপর তালেব মিয়ার আর কিছু মনে নেই। ঝড় থেমে গ্যাছে অনেকক্ষণ। তার চারপাশে অনেক মানুষের ভিড়। সিরাজের মা খোদেজা চিৎকার করে ওঠে। চিৎকার করে ওঠে তালেব মিয়াও, বাজান ---- বাজান রে তুই লাল জামা চাইছিলি বাজান---- ধান ও উডল না, তুইও রাগ করলি বাজান ---।
তখোন ঝড় শেষ। মাথার উপর এক ঝাঁক শকুন উড়ছে- ঠিক যেন সিরাজের মৃত দেহের উপর। পুরোনো বটগাছের সেই শকুনের ঝাঁক।
আপনার লেখা পাঠাতে আমাদের ইমেইল করুন। ইমেইল ঠিকানা- kobiyal.com@gmail.com
Follow Now Our Google News
সমর চক্রবর্তী’র কাব্যগ্রন্থ, গল্প ও উপন্যাস
- বঙ্গ নগরীর বাউলাকাশ (0000)
- রঙিন স্বপ্নের বাসিন্দারা (গল্পগ্রন্থ) (২০০১)
- দিগন্তের স্বপ্নারোহী
- আদিম অশ্বের পিঠে (কবিতা)
- নক্ষত্র মরে মরে গ্রহ হয়ে যায়
- বঙ্গীয় সভ্যতার লীলাভূমিঃ ভূষণা নগর রাজ্যের ইতিহাস (গবেষণাধর্মী গ্রন্থ)
- অন্ধকার ডানার মানুষ (কবিতা)
- ছায়াছায়া মুখ (উপন্যাস)
- লবণ সংক্রামক প্রার্থণা (কবিতা)
লেখক সংক্ষেপ:
১৯৭৩ সালের ১৫ মার্চ জন্ম নেয়া কবি সমর চক্রবর্তী দুই বাংলার সাহিত্যাঙ্গনের এক উজ্জ্বল নাম। বাহ্যিক চাকচিক্য নয়, তিনি পরিচিতি পেয়েছেন তাঁর মৌলিক সাহিত্যকর্মের মাধ্যমে। নব্বই দশকের অন্যতম শ্রেষ্ঠ এই কবির কাছে সাহিত্যই ধ্যান-জ্ঞান। সাহিত্য সাধনার জন্য তিনি সরকারি চাকরি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের উচ্চ পদ বারবার ছেড়ে দিয়েছেন। তাঁর বিশ্বাস—সাহিত্য কোনো সাধারণ কাজ নয়, এটি এক ধরনের সাধনা।সমর চক্রবর্তী সার্বক্ষণিক কবি ও সব্যসাচী লেখক। কবিতা, গল্প থেকে গবেষণাধর্মী ইতিহাস—সাহিত্যের নানা শাখায় তাঁর অবাধ বিচরণ। পাঠক ও সমসাময়িক লেখক—উভয়ের জন্যই তিনি লিখেছেন নিষ্ঠা ও দায়বদ্ধতা নিয়ে। মানবিক মূল্যবোধ ও প্রতিবাদী চেতনা তাঁর লেখার গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ।এ পর্যন্ত তিনি ১২টি মৌলিক গ্রন্থ রচনা করেছেন, যার মধ্যে রয়েছে দিগন্তের স্বপ্নারোহী, আদিম অশ্বের পিঠে, নক্ষত্র মরে মরে গ্রহ হয়ে যায়, রঙিন স্বপ্নের বাসিন্দারা প্রভৃতি। তাঁর গবেষণাধর্মী গ্রন্থ ভূষণা রাজ্যের ইতিহাস বিশেষভাবে প্রশংসিত।
কবিয়াল
কবিয়াল’এ প্রকাশিত প্রতিটি লেখা ও লেখার বিষয়বস্তু, ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া ও মন্তব্যসমুহ সম্পূর্ণ লেখকের নিজস্ব। প্রকাশিত সকল লেখার বিষয়বস্তু ও মতামত কবিয়াল’র সম্পাদকীয় নীতির সাথে সম্পুর্নভাবে মিলে যাবে এমন নয়। লেখকের কোনো লেখার বিষয়বস্তু বা বক্তব্যের যথার্থতার আইনগত বা অন্যকোনো দায় কবিয়াল কর্তৃপক্ষ বহন করতে বাধ্য নয়। কবিয়াল’এ প্রকাশিত কোনো লেখা বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রকাশ কপিরাইট আইনের লংঘন বলে গণ্য হবে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন