![]() |
| ইসলাম কি ভিক্ষাবৃত্তির ধর্ম? || নাজ জেইন |
ইসলাম কি ভিক্ষাবৃত্তির ধর্ম? || নাজ জেইন
মোল্লাদের মান সম্মান মোল্লারা নিজেরাই নস্ট করেছে, সেই সাথে নস্ট করেছে ইসলাম ধর্মের মর্যাদাকে। মসজিদ মাদ্রাসা এতিমখানা অজুখানা, মুতখানা, পায়খানা, গোসলখানা, মোল্লাদের নিজের ঘুমখানা বলৎকারখানাসহ যাহাই বানাতে চায় তার জন্যে ভিক্ষার থলি নিয়ে রাস্তায় রাস্তায় দ্বারে দ্বারে ঘুরে ভিক্ষা করা শুরু করে। ফ্যান, কার্পেট, সিমেন্ট বালি রড কিনতেও ভিক্ষা করতে হয়। কোন এতিম অসহায়কে সাহায্য করতেও মোল্লার একটাই পথ, সেটা হলো ভিক্ষাবৃত্তি, মানুষের কাছে হাত পাতা। কুরানের কোন আয়াতে ভিক্ষা করে আল্লাহর ঘর বানানোর কথা বলা আছে?
মোল্লার দলের যে যতো বেশী ভিক্ষা করাতে পারদর্শী তার মর্যাদা ততো বেশী, তাকে ততো বেশী টাকায় ভাড়া করা হয়। তারপর সেই পথের ছোট ভিক্ষুক ভিক্ষা করে করে ফুলেফেপে একদিন মস্ত বড় ‘ব্লগার ভিক্ষুকে’ পরিনত হয়। বড় ভিক্ষুক হয়ে ওয়াজ করতে সুদখোর ঘুসখোরের অনেক টাকায় ভাড়ায় গিয়ে সত্য মিথ্যা বয়ান করে মানুষের থেকে লক্ষ কোটি টাকা নিলেও কোনদিন দেখবেন না, নিজের পকেট থেকে ১০০ টাকা বের করে কোথাও দান খয়রাত করতে। কারন এক খয়রাতি অন্য খয়রাতিকে ভিক্ষা দিবে কেমনে? এগুলো তো সবই একই পালের বা গোত্রের।
আরবে কতো বড় বড় গ্রেন্ড মুফতি মাওলানা রয়েছে, তাদেরকে ভিক্ষা করতে দেখেছেন? পৃথিবীতে হাজার হাজার ধর্ম রয়েছে, কোন ধর্মের ধর্মজীবীদেরকে ভিক্ষা করতে দেখেছেন? ওসমানী আমল থেকে শুরু করে উপমহাদেশের মুঘল সম্রাট নবাবদের একমাত্র খোদা প্রদত্ত ধর্ম ইসলামকে ভিক্ষুকে পরিনত করেছে এই দেশের ধর্মখোর, ধর্মব্যবসায়ী, ধর্মান্ধ মোল্লারা।
কুরান আর ধর্মের নামে স্টেজে বসে হিন্দি গান গায় আর ভিক্ষা করে, আরবের কোন মুফতি মাওলানাকে হিন্দি গান গাইতে শুনেছেন? পৃথিবীর অন্য কোন ধর্মের ধর্মীয় গুরুকে ধর্মের নামে হিন্দি গান গাইতে শুনেছেন? তাহলে এই দেশের হিন্দি গান গেয়ে ধর্ম প্রচারের নামে ভিক্ষুকগুলো কারা? কোথায় থেকে এই ভিক্ষাবৃত্তি শিখলো? কুরান হাদিসসহ ইসলামের কোথাও তো ভিক্ষাবৃত্তি করতে নির্দেশনা নাই, তাহলে এই ভিক্ষাবৃত্তির টাকা হালাল হয় কি করে?
তারপর মসজিদের ফান্ড, মাদ্রাসার ফান্ড, এতিমের খাবার ও সাহায্য, এতিমখানার কালেকশন চুরি ডাকাতি বিনা বাধায় করছে মোল্লারা। ঐ দিন মোল্লার ৪ স্ত্রী সাক্ষ্য দিচ্ছিলো, মোল্লার চার স্ত্রীর ৪ বেলা রান্না খাবার পর্যন্ত মাদ্রাসার এতিমখানা থেকে আসে।
মোল্লাদের ধর্মের নামে ভিক্ষাবৃত্তির কারনে দেশের প্রকৃত ভিক্ষুক গরীবদের ভিক্ষা পাওয়ার পরিমানে প্রচন্ড ভাবে ব্যাহত হয়েছে।
অথচ মোল্লারা যদি একটু ক্রিয়েটিভ হতো, নিজেদেরকে কাজের যোগ্য করে তুলতো, নিজেদেরকে পরোজিবী না বানিয়ে মেরুদন্ড শক্ত করতো, তাহলে ভিক্ষা না করে সন্মানের সাথে দ্বীন দুনিয়ার সব কিছু সম্পাদন করতে পারতো। কিন্তু এরা মাথায় টুপী আর গায়ে লম্বা কুর্তা লাগায়ই ভিক্ষা করবার নিয়ত করে, তাহলে এদের ভালো হবে কি করে?? এরা জীবনের শুরুতেই পরোজিবীর জীবনই চয়েজ করে নেয়। যে কারনেই বাংলাদেশের ধর্মকে ইসলাম ধর্ম বলার কোন সুযোগ নেই।
বরং এই দেশের মোল্লারা ইসলামের টুপী মাথায় দিয়ে লম্বা জুব্বা গায়ে চড়িয়ে প্রকৃত ইসলামকে ছোট করছে, অপমান করছে, মানুষের কাছে ইসলামকে ঘৃনা করবার সুযোগ করে দিয়েছে। এটা আরব হলে এই টুপীওয়ালা মোল্লা নামের শয়তানদের ধর্ম অবমাননার দায়ে কঠিন শাস্তি হতো।
ইসলাম কি আসলে ভিক্ষাবৃত্তির ধর্ম? কুরানের কোথাও ধর্ম বাঁচাতে, রক্ষা করতে আর প্রচার করতে এই ভিক্ষাবৃত্তি করার নির্দেশ আল্লাহ দিয়েছেন?
আপনি আরবের দেশগুলোর দিকে তাকিয়ে দেখেন, তারা ধর্মের নামে কোন ভিক্ষাবৃত্তি করে না। ইতিহাস ঘেঁটে দেখেন, আরবরা যখন গরীব ছিলো তখনো ধর্মের নামে ভিক্ষাবৃত্তি করে নাই॥ নবী সাহাবী এবং তাবেতাবাইনদের মাঝে কেউই ভিক্ষাবৃত্তি করে নাই॥ তাহলে বাংলার মোল্লারা ভিক্ষাবৃত্তির লাইসেন্স পাইলো কার থেকে??
যে কারনেই বলি, আল্লাহর ইসলাম ধর্ম, কোরআনের ইসলাম ধর্ম, নবীর ইসলাম ধর্ম আর আরবের ইসলাম ধর্মের সাথে বাংলাদেশর ইসলাম নামের ধর্মের কোনই সম্পর্ক নেই।
বাংলাদেশের ধর্মজীবীদের ধর্ম আল্লাহর কোরআন হাদিসের ধর্ম নয়, এটা হলো লিল্লাখোরদের লিল্লা খাওয়ার ধর্ম, সমাজে সন্ত্রাস কায়েম করার ধর্ম॥
এদেশের মোল্লারা ধর্মের নামে মবসন্ত্রাস সৃষ্টি করে মানুষ পুড়িয়ে মারছে, মানুষের মাঝে আতঙ্ক তৈরী করছে, সচেতন মানুষকে নাস্তিক ট্যাগ দিয়ে ধর্ম থেকে দুরে সরিয়ে দিচ্ছে, যাহীল ধর্মান্ধদেরকে আরো যাহিল ধর্মান্ধ বানাচ্ছে, নিশ্চিন্তে যখন তখন শিশু বলৎকার করছে, কিশোররীদেরকে বিয়ের নামে ধর্ষন করছে, দেশের নারীদেরকে অপমান অপদস্থ করে নারীর পায়ে শিকল দিতে সচেষ্ট হচ্ছে, অন্য ধর্মালম্বীদের প্রতি ঘৃণা বিদ্বেষ বাড়িয়ে তুলছে, এর বাহিরে মোল্লাদের কোন ভালো কাজ এই বাংলায় দেখাতে পারবেন না॥
অতএব, আমাদেরকে নাস্তিক বা ধর্ম বিদ্বেসী বলে দাবিয়ে রাখা যাবে না, কারন আমরাই প্রকৃত বিশ্বাসী ইমানদার আর মোল্লারা ধর্মজীবী মোনাফেক প্রতারক বেঈমান।
আমরা সমাজ দেশ ও দেশের মানুষের কল্যাণ ছাড়া কোন ক্ষতি করি না, আর মোল্লারা সমাজ দেশ আর দেশের মানুষের ক্ষতি ছাড়া কোন কল্যান করে না॥
নাজ জেইন, ২২/১২/২০২৫

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন